টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে নতুন ঝামেলায় পড়েছে আইসিসি। বাংলাদেশ ইস্যুর পর খেলোয়াড়দের নাম, ছবি ও পরিচিতি ব্যবহারের শর্ত নিয়ে আইসিসির সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ)। এমনটাই খবর ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো।
তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য আইসিসি খেলোয়াড়দের কাছে যে ‘স্কোয়াড পার্টিসিপেশন টার্মস’ পাঠিয়েছে, তা ২০২৪ সালে দুই পক্ষের সম্মতিতে স্বাক্ষরিত চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। নতুন এই শর্তাবলিকে খেলোয়াড়দের জন্য ‘শোষণমূলক’ বলে আখ্যা দিয়ে আইসিসিকে লিখিতভাবে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে সংগঠনটি।
তবে আইসিসি এসব অভিযোগ প্রত্যাখান করেছে। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক এ সংস্থা মনে করে, ২০২৪ সালের চুক্তিটি কেবল আটটি দলের জন্য প্রযোজ্য এবং বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বাকি দলগুলোর জন্য প্রযোজ্য নয়। এর পাল্টা জবাব দিয়েছে ডব্লিউসিএ। তারা মনে করেন, আগের চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে, খেলোয়াড় সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সব ক্রিকেটারের জন্যই ঐ চুক্তির সুরক্ষা প্রযোজ্য হবে। তাই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রত্যেকটি দেশের ক্রিকেটাররাই সেই আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রাখেন।
এই প্রসঙ্গে ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী টম মফাট বলেন, ‘আইসিসির দেওয়া নতুন শর্তাবলি পূর্বে সম্মত চুক্তির তুলনায় খেলোয়াড়দের বাণিজ্যিক অধিকার ও সুরক্ষাকে মারাত্মকভাবে খর্ব করছে।’
মফাট আরও অভিযোগ করেন, ‘সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, একই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বড় দলগুলো ভালো সুবিধা পেলেও ঝুঁকিপূর্ণ ও স্বল্প আয়ের খেলোয়াড়দের ভিন্ন ও কঠোর শর্তে খেলতে বাধ্য করা হচ্ছে। অথচ অনেক খেলোয়াড়ের জন্য আইসিসি ইভেন্টই আয়ের প্রধান উৎস।’
তবে আইসিসি ইভেন্ট বা ক্রিকেট উন্নয়নের বিরুদ্ধে নয় বলে জানিয়েছে ডব্লিউসিএ। তাদের দাবি খেলোয়াড়দের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেই সেই লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।
