১ বলে ১ রান নিতে না পেরে ম্যাচ হারিয়ে কঠিনভাবে লাঞ্চিত হলে মাহমুদুল্লাহ

 


ব্যাটিংয়ে হেসেখেলে জয়ের পথে এগিয়েছে রংপুর রাইডার্স। দারুণ কৌশলী ব্যাটিংয়ে ফিফটি ছুঁয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। যদিও ফিফটির পরেই থেমেছেন। ৩৯ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে দলের ১২২ রানের মাথাতে সাজঘরে ফিরে যান হৃদয়। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে মালান এবং হৃদয় মিলে তোলেন ১০০ রান, মাত্র ৭২ বলে। ম্যাচ জেতার কাজ অর্ধেকের বেশি শেষ হয়ে যায় এখানেই।



হৃদয়ের বিদায়ের পর মালানের সাথে ক্রিজে যোগ দিয়েছেন কাইল মেয়ার্স। বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিংয়ে ফিফটি ছুঁয়েছেন ডেভিড মালানও। মেয়ার্সও শুরু থেকেই ছিলেন দারুণ সাবলীল। দুজনের কার্যকরী ব্যাটিংয়ে জয়ের পথে এগিয়েছে রংপুর।


৮ বলে ৯ রান করা মেয়ার্স আউট হন দলের ১৩৯ রানের মাথাতে। মালানের সাথে যোগ দেন খুশদিল শাহ। ৬ বলে দরকার ছিল ৭ রান। বোলিংয়ে আসেন ডেথ স্পেশালিস্ট রিপন মণ্ডল। প্রথম বলেই খুশদিলকে ফেরান রিপন। ৫ বলে দরকার ছিল ৭ রান। পরের বলে চার মেরে দেন ক্রিজে আসা অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। পরের বল ডট। ৩ বলে দরকার ৩ রান। পরের বলে ২ রান নেন সোহান। ২ বলে দরকার ১ রান। পরের বলে ক্যাচ আউট হয়ে যান সোহান। ১ বলে দরকার ১ রান। ক্রিজে আসেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। রিপনের দারুণ ইয়র্কার থেকে সিঙ্গেল বের করতে পারেননি রিয়াদ। দারুণ ফিল্ডিংয়ে হয়েছেন রান আউট। ম্যাচ টাই! সুপার ওভার। 



ডেথ বোলিংয়ে তাক লাগিয়ে দেন রিপন মণ্ডল। 

রাজশাহীর হয়ে ২টি করে উইকেট নেন এসএম মেহেরব হোসেন এবং রিপন মণ্ডল। ১ উইকেট তুলেছেন তানজিম হাসান সাকিব। 


এরপর সুপার ওভারে রংপুরের হয়ে মাঠে নামেন কাইল মেয়ার্স এবং তাওহিদ হৃদয়। রাজশাহীর হয়ে বোলিংয়ে রিপন মণ্ডল। প্রথম বলেই ওয়াইড দেন রিপন। পরের বল ফুলটস, তবে কাজে লাগাতে পারেননি মেয়ার্স। ডট বল। পরের বলে ১ রান নেন মেয়ার্স। পরের বলে আবার সিঙ্গেল নেন হৃদয়। পরের বলে বোল্ড হয়েছেন মেয়ার্স। ক্রিজে আসেন খুশদিল শাহ। পরের বলে ১ রান নেন তিনি। শেষ বলেও রিপনের দুর্দান্ত ইয়র্কার। ১ রানের বেশি নিতে পারেনি রংপুর। খুশদিলকে রান আউট করেন রিপন। সুপার ওভার থেকে রংপুর রাইডার্স নিতে পারে মাত্র ৬ রান। 


রাজশাহীর হয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন তানজিদ হাসান তামিম এবং সাহিবজাদা ফারহান। বোলিংয়ে রংপুর রাইডার্সের মুস্তাফিজুর রহমান। প্রথম বলেই চার মারেন তানজিদ। পরের বলে নেন ২। স্কোর সমান। পরের বলে দারুণ এক চার মারেন তানজিদ। ৩ বলেই ১০ রান নিয়ে সুপার ওভারে জিতে যায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সুপার ওভারে ছন্নছাড়া বোলিং করেন মুস্তাফিজুর রহমান। 


৪ ম্যাচে ৩য় জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রাখলো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। 

Post a Comment

Previous Post Next Post